ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং আসন্ন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জনাব আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত কয়েকদিন ধরে ‘মুখোশ উন্মোচন’ ও ‘অন্যায়ের প্রতিবাদ’ নামক কিছু নামসর্বস্ব ফেসবুক পেইজ থেকে তাকে ‘বোমা রহমান’ নামে সম্বোধন করে চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং এমনকি পারিবারিক বিষয়েও অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
এসব মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে জনাব আব্দুর রহমান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি ৩৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে পাশে আছি। আমার রাজনৈতিক ইমেজ এবং আসন্ন নির্বাচনে আমার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। তারা যেসব ফেসবুক পোস্ট করছে, সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। কোনো প্রমাণ ছাড়াই আমাকে এবং আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের জড়িয়ে এই চরিত্রহননের খেলা শুরু করা হয়েছে।”
বিশেষ করে পারিবারিক বিষয়ে (মায়ের প্রতি অবমাননা) যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাকে ‘জঘন্য মিথ্যাচার’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “একজন রাজনৈতিক কর্মীকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য তারা এখন মৃত মানুষকে নিয়েও মিথ্যা গল্প সাজাচ্ছে, যা চরম অমানবিক। আমি সারাজীবন সৎভাবে ব্যবসা এবং রাজনীতি করে আসছি। এলাকার কোনো সাধারণ মানুষ বা ব্যবসায়ী বলতে পারবেন না যে আমি কারো কাছে চাঁদা দাবি করেছি বা কারো জমি দখল করেছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করতেই এই ‘ডিজিটাল সন্ত্রাস’ চালানো হচ্ছে। যারা এসব পোস্ট শেয়ার করছে এবং নেপথ্যে থেকে ইন্ধন দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এসব সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জনাব আব্দুর রহমান ৩৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের এই ধরণের বিভ্রান্তিকর ও বানোয়াট তথ্যে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ষড়যন্ত্র করে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। এলাকার জনগণই আমার শক্তি, তারাই ব্যালটের মাধ্যমে এসব নোংরা রাজনীতির জবাব দেবেন।”
তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেন, যারা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে গুজব ছড়াচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক।
Leave a Reply