সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পল্লবীতে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার গৌরীপুরে বরাদ্দ হরিলুটের অভিযোগ, নেপথ্যে পিআইও আলাল উদ্দিন! কাফরুল থানায় হাজতখানায় স্বজনের সাক্ষাতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রোটারি ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রিজের ১৪তম অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০ পিস টাপেন্টাডল ও নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন সুমন খান পল্লবীতে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও অপহরণ মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে পুলিশ ক্লাবের বাজিমাত পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ, উদ্বোধন ১৪ মার্চ

অনলাইন ডেক্স
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ, উদ্বোধন ১৪ মার্চ

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।

রোববার (৮ মার্চ) মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, এ থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসমাইল জাবিউল্লাহ। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সম্মানীগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে দেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com