শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পল্লবীতে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার গৌরীপুরে বরাদ্দ হরিলুটের অভিযোগ, নেপথ্যে পিআইও আলাল উদ্দিন! কাফরুল থানায় হাজতখানায় স্বজনের সাক্ষাতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রোটারি ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রিজের ১৪তম অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০ পিস টাপেন্টাডল ও নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন সুমন খান পল্লবীতে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও অপহরণ মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে পুলিশ ক্লাবের বাজিমাত পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

রাজশাহীতে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

অর্থনীতি ডেক্স
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
রাজশাহীতে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

রাজশাহীতে আকস্মিকভাবে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও এলপি সিলিন্ডার পাচ্ছেন না গ্রাহকরা।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ডিলাররা তাদের চাহিদামতো সিলিন্ডার দিচ্ছেন না। ফলে সিলিন্ডার সংকট কাটছে না। বেশি দাম দিয়ে ডিলারদের কাছ থেকে সিলিন্ডার আনতে হচ্ছে। ফলে তারাও বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে ক্রেতাদের পাশাপাশি খুচরা সিলিন্ডার বিক্রেতারাও পড়েছেন বিপাকে।

রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার ক্রেতা আসাদুল ইসলাম জানান, গত রোববার তার গ্যাস শেষ হয়েছে। সোমবার সারাদিন তিনি বিভিন্ন বাজারে ঘুরেছেন একটি সিলিন্ডার কেনার জন্য। অবশেষে শালবাগান বাজারের এক খুচরা দোকান থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকার সিলিন্ডার কিনেছেন ১ হাজার ৬০০ টাকায়।

তার মতো অনেক গ্রাহকই গ্যাস সিলিন্ডারের খোঁজে নগরীর বিভিন্ন বাজারের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন।

নগরীর সাহেববাজারের ক্রেতা আবদুল কাদের বলেন, আগে যে গ্যাস সিলিন্ডার ১ হাজার ২৫০ টাকায় কিনতাম, এখন সেটার দাম ১ হাজার ৬০০ টাকা চাচ্ছে। তাও আবার সব দোকানে পাওয়া যায় না। এত বেশি দাম দিয়ে গ্যাস কেনা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য খুবই কষ্টের।

নগরীর সপুরা এলাকার বাসিন্দা নাজমা খাতুন বলেন, বাসায় এলপি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। সোমবার থেকে দোকানে দোকানে ঘুরছি। আবার যেখানেই আছে, সেখানে দাম অনেক বেশি নিচ্ছে।

ভাটাপাড়ার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, বাজারে গ্যাসের সংকট থাকলে সরকারকে আগে ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্যাস ছাড়া সংসার চলে কীভাবে।

এদিকে নগরীর সাহেববাজার ও হড়গ্রাম বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ওমেরা ও ফ্রেস কোম্পানির সিলিন্ডার ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানির এলপি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।  দুই-একটি দোকানে পাওয়া গেলেও দাম নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। এমন খারাপ পরিস্থিতি আগে দেখা যায়নি।

নগরীর কয়েকজন রেস্টুরেন্ট মালিক জানান, গ্যাসের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে তাদের ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বড় সমস্যা হলো বেশি দাম দিয়েও সিলিন্ডার মিলছে না।

নগরীর ভদ্রা এলাকার খুচরা বিক্রেতা নজরুল মুন্সি বলেন, কোম্পানি সিলিন্ডার সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। আগে তো গছিয়ে দিয়ে যেত। এখন চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক  ইব্রাহীম হোসেন বলেন, সিলিন্ডার গ্যাসের সংকট ও দাম বৃদ্ধির বিষয়টি আমরা দেখছি। গত কয়েক দিন থেকেই সিলিন্ডারের দাম বাড়ছে। আমরা ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। দুই-এক দিনের মধ্যে সংকট কেটে যাবে বলে তারা জানিয়েছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com