রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পল্লবীতে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার গৌরীপুরে বরাদ্দ হরিলুটের অভিযোগ, নেপথ্যে পিআইও আলাল উদ্দিন! কাফরুল থানায় হাজতখানায় স্বজনের সাক্ষাতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রোটারি ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রিজের ১৪তম অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০ পিস টাপেন্টাডল ও নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন সুমন খান পল্লবীতে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও অপহরণ মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে পুলিশ ক্লাবের বাজিমাত পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

পল্লবীতে ইয়াবাসহ আটক-২, আরও দুজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

রাজধানীর পল্লবী থানাধীন এলাকা থেকে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. সাব্বির হোসেন (২৪) ও মো. রাকিব হোসেন (২৯)।

গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের ২২ নম্বর রোডে তালাব ক্যাম্প সংলগ্ন গণ-শৌচাগারের সামনে পাকা রাস্তা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নম্বর: ১৯, তারিখ: ০৭/০৮/২০২৫)। মামলায় আরও যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন—মিল্লাত ক্যাম্পের খলিল সরদারের মেয়ে জলি রাজিয়া (৫২) এবং ছেলে রুস্তম (৩৫)। পুলিশ সূত্র জানায়, আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জলি ও রুস্তমের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ ও বিক্রির কথা স্বীকার করেছে।

তবে এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে স্থানীয়রা বলছেন, এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে করা একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা। স্থানীয়দের দাবি, ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় জলি রাজিয়ার ঘরে প্রবেশ করে সাব্বির হোসেন একটি মোবাইল ফোন চুরি করে। পরে রুস্তম তাকে ধরে মারধর করলে, তার স্বীকারোক্তিতে মোবাইলটি রাকিব হোসেনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনার জের ধরে সাব্বির ও রাকিব পরে পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ আটক হলে, পরিকল্পিতভাবে রুস্তম ও জলি রাজিয়াকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়।

খলিল সরদারের পরিবার দাবি করেছে, সাব্বির ও রাকিব এলাকায় চিহ্নিত মাদকাসক্ত ও চোরচক্রের সদস্য। নিজেদের অপরাধ আড়াল করতেই তারা জলি ও রুস্তমের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।

স্থানীয়রা এই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com