বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
Casoola’s Online Casino: Je Definitieve Wegwijzer richting ‘n Memorabele Gokbeleving পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়: বাউনিয়াবাঁধ পুকুরপাড় বস্তিবাসীর মানববন্ধন উন্নত চিকিৎসা সেবা আর পরম যত্নের প্রতিচ্ছবি: শ্যামলী বেবি কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল মিরপুরে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল আত্মগোপনে থাকা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার, আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা বোনের তদবির উত্তরার বিডিআর মার্কেটে পার্কিং স্থান নিয়ে ফের উত্তেজনা, আদালতের নির্দেশনা মানার দাবি ব্যবসায়ীদের পল্লবীতে কিশোর গ্যাং দমনে র‌্যাবের অভিযান: “ভইরা-দে গ্রুপ” এর সক্রিয় তিন সদস্য আটক শ্রমিকদের ক্ষোভে থমকে গেল তেজগাঁও, আড়াই ঘণ্টা পর মিলল সমাধানের আশ্বাস ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

‘ভইরা দে গ্রুপ’ প্রধান আশিক সেনাবাহিনীর গোপন অভিযানে গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

রাজধানীর পল্লবী, রূপনগর ও আশপাশের এলাকাজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, দখলবাজি, গুলিবর্ষণ, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডবে ত্রস্ত জনগণের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। ভয়ংকর কিশোর গ্যাং ‘ভইরা দে গ্রুপ’-এর প্রধান আশিককে অবশেষে সেনাবাহিনীর একটি গোপন অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযান ও গ্রেফতার:
শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫—রাত ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে কাফরুল থানাধীন সেকশন-১৩, ব্লক-বি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ঘিরে ফেলা হয় পুরো ভবনটি। পালানোর চেষ্টায় আশিক ভবনের সাততলা থেকে পাইপ বেয়ে নিচে নামার এবং ছাদ থেকে ছাদে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু সেনা সদস্যদের তৎপরতায় ব্যর্থ হয় সে। ঝুঁকিপূর্ণ লাফের কারণে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিশোর থেকে কুখ্যাত গ্যাং লিডার:
আশিকের কিশোর বয়সে অপরাধ জগতে প্রবেশ শুরু হয় ৫ আগস্ট ছাড়া পাওয়া কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর ছায়াতলে। কখনো ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে, আবার কখনো পল্লবী ও ভাষানটেক এলাকার কুখ্যাত গ্যাংদের হয়ে সে চালাতো দখল ও ত্রাসের রাজত্ব। তার নেতৃত্বাধীন ‘ভইরা দে গ্রুপ’ ছিল সশস্ত্র এবং ভয়ংকর। স্থানীয় ব্যবসায়ী, হকার, পথচারী থেকে শুরু করে কাউকে রেহাই দিত না তারা। গুলি, কুপিয়ে জখম, চাঁদাবাজি, জমি ও দোকান দখল, এমনকি প্রকাশ্যে মারধর—সবই ছিল তাদের রুটিন অপরাধ।

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপকর্ম:
আশিকের পিতা খালেকুজ্জামান জীবন একজন স্থানীয় যুবলীগ নেতা, যার বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে আশিক অনেক সময়ই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পার পেয়ে যেত। এমনকি অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় থানার একাধিক কর্মকর্তা তার প্রতি নমনীয় ভূমিকা পালন করতেন।

জনগণের প্রতিক্রিয়া:
আশিক গ্রেফতার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে গরিব ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আশার আলো দেখতে শুরু করে। অনেকেই মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে সেনাবাহিনীর জন্য দোয়া করেন। আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন—এই দানব যেন আর কোনোদিন মুক্ত না পায়।

পুলিশ নয়, সেনাবাহিনীই আস্থা:
এই ঘটনাটি আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে—যেখানে স্থানীয় থানা প্রশাসন ব্যর্থ, সেখানে সেনাবাহিনী সাহস, কৌশল ও দেশপ্রেম দিয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। তাই স্থানীয়দের স্বস্তিতে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এলাকাবাসী।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com