বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ বিআরটিএ কর্মকর্তা ‘রাশেদ মিলন’র বিরুদ্ধে ৩৩নং ওয়ার্ডে আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিতদের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শেরপুরে সরকারি রেস্ট হাউস দখলে উপপরিচালক, ভাড়া ভাতা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে তৎপরতা: আলোচনায় মেহেরুন্নেসা হক সাংবাদিক ‘রিয়াদুল মামুন সোহাগ’র জন্মদিন ভোলায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিকের পরিবারের ওপর ফের হামলার অভিযোগ নবীনগরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা না আত্মহত্যা-রহস্যে ঘেরা মৃত্যু যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের যতসব অভিযোগ কিবরিয়া হত্যার নেপথ্যে রাজনৈতিক আধিপত্য ও চাঁদাবাজি গাজীপুরে কিশোরকে হত্যাচেষ্টা ও ছিনতাই: কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ বিআরটিএ কর্মকর্তা ‘রাশেদ মিলন’র বিরুদ্ধে

সুমন খান | ঢাকা
  • আপডেটের সময়: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

রাজধানীর মেট্রো-৩ উত্তরা ডিয়াবাড়ি বিআরটিএ অফিসে মোটরযান পরিদর্শন ও রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট, এমন অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রাশেদ মিলনের বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগীদের একাধিক অভিযোগে জানা যায়, অফিসটির মোটরযান পরিদর্শক ও রেজিস্ট্রেশন শাখার দায়িত্বে থাকা রাশেদ মিলন নাকি ,টাকা ছাড়া কোনো ফাইলে সই করেন না। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।

ঘুষ ছাড়া সেবা মেলে না একাধিক সেবাগ্রহীতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট কিংবা মালিকানা হস্তান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা পেতে গেলে নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। অন্যথায় দিনের পর দিন ফাইল আটকে রাখা হয় বা নানা অজুহাতে ঘোরানো হয়।এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সরকারি ফি জমা দিয়েও কাজ হয় না। আলাদা করে টাকা না দিলে ফাইল এগোয় না এ যেন এক নীরব দুঃশাসন।

দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য অভিযোগ রয়েছে,, শুধু তাই নয় তার অফিসে ব্যক্তিগত একজন দালাল থাকেন আব্দুল্লাহ অনেক আগে থেকেই এই দালাল আব্দুল্লাহ নাম উঠে আসে কিন্তু এখনো অফিসে কোন কর্মকর্তারা এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, কি করে নেবে একজন মোটরযান পরিদর্শক, রাশেদ মিলনের সমস্ত কাজ লেনদেনের সবকিছু ওই আব্দুল্লার হাত থেকেই হয়।

অফিসটিকে ঘিরে সক্রিয় রয়েছে একটি দালাল চক্র। এই চক্রের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় ঘুষের পরিমাণ এবং দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। দালালদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন অনেকে।

সরকারি সেবায় ভোগান্তি ও জনদুর্ভোগ এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সেবার মান প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ জনগণের জন্য নির্ধারিত সেবা যখন টাকার বিনিময়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন তা শুধু অনিয়ম নয় বরং একটি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির রূপ ধারণ করে।তদন্ত ও জবাবদিহিতা জরুরি,এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাশেদ মিলনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com