বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
Casoola’s Online Casino: Je Definitieve Wegwijzer richting ‘n Memorabele Gokbeleving পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়: বাউনিয়াবাঁধ পুকুরপাড় বস্তিবাসীর মানববন্ধন উন্নত চিকিৎসা সেবা আর পরম যত্নের প্রতিচ্ছবি: শ্যামলী বেবি কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল মিরপুরে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল আত্মগোপনে থাকা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার, আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা বোনের তদবির উত্তরার বিডিআর মার্কেটে পার্কিং স্থান নিয়ে ফের উত্তেজনা, আদালতের নির্দেশনা মানার দাবি ব্যবসায়ীদের পল্লবীতে কিশোর গ্যাং দমনে র‌্যাবের অভিযান: “ভইরা-দে গ্রুপ” এর সক্রিয় তিন সদস্য আটক শ্রমিকদের ক্ষোভে থমকে গেল তেজগাঁও, আড়াই ঘণ্টা পর মিলল সমাধানের আশ্বাস ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

কার আর্শিবাদে বহাল তবিয়তে ফরিদ, জানেন না সিভিল সার্জন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র মেকানিক ও স্টোরকিপার হিসেবে কর্মরত এ এফ এম মাহমুদ আল ফরিদের বিরুদ্ধে একই কর্মস্থলে টানা ১৭ বছর ধরে অবস্থান এবং নানা অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সূত্র জানায়, দুই পদের দায়িত্ব একাই সামলানোর সুযোগে ফরিদ সরবরাহ ব্যবস্থা, ক্রয় কার্যক্রম ও এমএসআর খাতে ভুয়া বিল–বাউচার তৈরিসহ নানা আর্থিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে—দীর্ঘমেয়াদি পোস্টিংকে পুঁজি করে তিনি প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত ‘দাপট’ তৈরি করেছেন। অভিযোগদাতাদের দাবি, পূর্ববর্তী রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি ক্রয়–বিক্রয় ও অফিস কার্যক্রমে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতেন এবং এতে লক্ষ লক্ষ টাকার দূর্নীতি হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, মুক্তাগাছায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ এই ফরিদ বিগত সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাবেক সংষ্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু’র আর্শিবাদ নিয়ে গড়ে তুলেন সাম্রাজ্য। এখানে এই পদে কেউ বদলি হয়ে আসতে গেলে ফরিদ তাদেরকে খালেদ বাবু মন্ত্রীর ক্ষমতা দেখিয়ে নিষেধ দিত। এখনো ফরিদ এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চাকুরীতে বহাল! তার খুঁটির জোর কোথায়?

ময়মনসিংহ জেলার সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ ফয়সাল আহমেদ বলেন, জেলায় অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছে। আমি নতুন ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি আমি ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে একই ব্যক্তির দীর্ঘদিন একই পদে থাকার বিষয়টি সহ অনিয়ম দূর্নীতি অভিযোগের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নিবো।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুমন কান্তি সাহা বলেন, আমি শুনেছি ফরিদ এখানেই চাকুরী করছেন দীর্ঘ বছর ধরে। কেন এত বছর একই জায়গায় তা ঊর্ধ্বতন স্যারেরা বলতে পারবেন। আর অনিয়ম দূর্নীতি অভিযোগ আমি কিছু বলতে পারবোনা।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে—সরকারি প্রতিষ্ঠানে একই জায়গায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন অনিয়মের জন্ম দেয়। তাই অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলরা এক প্রশ্নে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে আমাদের অনেকেই বলেন ফরিদ কোন শক্তির জোরে একই কর্মস্থলে ২০ আছেন? তা আমরা উত্তর দিতে পারিনা।

এক সাক্ষাৎকারে এফ এম মাহমুদ আল ফরিদ বলেন, আমি একাই এখানে ২০ বছর এই কর্মস্থলে আছি। আমি সবকিছু কেনাকাটা করি। আমার জুরে আমি আছি কারো সমস্যা নিয়ে আমি চাকুরী করি না।দ্বায়িত্বে যখন আছি কেনাকাটায় ছয় নয় হইবে। আমি যা করি কতৃপক্ষ ছাড়া করি না। এখানে ভাগাভাগি ৬০/৪০ ছাড়া কিছু হয় না। আপনারা সাংবাদিক বুঝেন না।আপনি লিখেন দেখি কে কি করে আমাকে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com