সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার: ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার-৩ রূপনগরে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচনায় মাদবর পরিবার পল্লবীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে দম্পতির ওপর হামলা: ফের আলোচনায় মাদক সম্রাজী শাহীনুর ‎ ‎ মাহিন্দ্র গাড়িচালককে মারধর, তেল-ব্যাটারি ও চাকা চুরির দায়ে থানায় অভিযোগ পল্লবী থানা উত্তরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুই অবুঝ শিশুর চোখের জল আর স্ত্রীর হাহাকার: শাহাদাত হত্যার বিচারের অপেক্ষায় একটি পরিবার হামলা-লুটপাটে জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার-৩ পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার বানারীপাড়ায় রাজু’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীকর্মকান্ডের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা-ছেলে রূপনগরে ওপেন হাউস ডে: অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার ডাক

পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন

অনলাইন ডেক্স
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেছেন, এত টাকা খরচ করে পদ্মা সেতু না বানিয়ে যদি ইরিগেশনে ব্যয় করা যেত চালের দাম ৫ টাকা কমে যেত। আজ চালের দাম ২০ টাকা বেড়ে গেছে পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ বশির উদ্দীন বলেন, যদি ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে না পারি তাহলে এটি যে টিউমার তৈরি করবে এর সঙ্গে চলতে পারবেন না। যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক আপনারা যখন কোনো দাবি করবেন, এটা মাথায় রাখতে হবে যে আমার ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে। না হলে নাগরিক হিসেবে আপনি ঠকে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা অহেতুক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছিলেন। অধিকাংশ স্থল বন্দরের কোনো দরকার ছিল না। এসবের কোনো কার্যকারিতাও নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করে ফেলেছে। শেখ হাসিনা অসম্ভব রকম দুর্বৃত্তায়ন করেছেন। শেখ হাসিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানো। ব্যয় করে আয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানোর মতো চিন্তা তার মাথায় কখনোই ছিল না। তাই শেখ হাসিনা বড় বড় প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য আয়ের প্রবৃদ্ধি সমুন্নত রাখা।

তিনি বলেন, আপনারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যে দলের বেশি সমর্থন সেই দল নির্বাচিত হবে। আপনারা যদি সেটা না করেন তাহলে বিগত তিনটি নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এমপিরা পদে রয়ে গেল। আবার ভোট হইল, ভোটে আপনি গেলেন কিনা তাতে কিছু আসে যায় না। তাতে নির্বাচিত নামধারী সরকার রয়ে গেল। আপনারা যদি এমন নির্বাচন ব্যবস্থা না চান তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com