বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
রূপনগরে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচনায় মাদবর পরিবার পল্লবীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে দম্পতির ওপর হামলা: ফের আলোচনায় মাদক সম্রাজী শাহীনুর ‎ ‎ মাহিন্দ্র গাড়িচালককে মারধর, তেল-ব্যাটারি ও চাকা চুরির দায়ে থানায় অভিযোগ পল্লবী থানা উত্তরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুই অবুঝ শিশুর চোখের জল আর স্ত্রীর হাহাকার: শাহাদাত হত্যার বিচারের অপেক্ষায় একটি পরিবার হামলা-লুটপাটে জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার-৩ পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার বানারীপাড়ায় রাজু’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীকর্মকান্ডের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা-ছেলে রূপনগরে ওপেন হাউস ডে: অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার ডাক মিরপুর প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা খান সেলিম রহমান অসুস্থ: দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

রূপনগরে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচনায় মাদবর পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

রাজধানীর রূপনগর আবাসিক এলাকার শিয়ালবাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা, অবৈধ গ্যাস-পানি-বিদ্যুৎ সংযোগ, দখলবাজি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচনায় রয়েছে মাদবর পরিবার। স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর অভিযোগে উঠে এসেছে ইউসুফ মাদবর, শরীফ মাদবর, মারুফ মাদবর ও মোমিন মাদবরের নাম।

স্থানীয়দের দাবি, রূপনগর থানা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে শরীফ মাদবর শিয়ালবাড়ি এলাকায় একটি শক্তিশালী অবৈধ সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ঝিলপাড় দখল করে বস্তি নিয়ন্ত্রণ, মাদক ব্যবসা পরিচালনা এবং কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন তিনি।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, গত ৫ আগস্ট যুবলীগ নেতা নিখিল ও সাবেক এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার নির্দেশে মিরপুর-১০ ও শিয়ালবাড়ি এলাকায় সাধারণ ছাত্রদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ সময় শরীফ মাদবর ও তার সহযোগীরা পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়ে ছত্রভঙ্গ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি স্থানীয়দের।

অভিযোগ রয়েছে, ছাত্র হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পরও ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ইউসুফ মাদবরসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সন্ত্রাসীদের নিয়ে এলাকায় পুনরায় আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর টাকার বস্তা নিয়ে বিএনপিতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন ইউসুফ মাদবর। তবে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার অব্যাহত রাখেন তিনি।

এদিকে ইউসুফ মাদবরের অনুপস্থিতিতে তার ভাই মোমিন মাদবর ও মোমিনের স্ত্রী বিথি বেগম অবৈধ ব্যবসা ও প্রভাব বলয় নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মাদক, ঝুট ব্যবসা ও দখল বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে পরিবারের সদস্যরা ঘরের নারীদের ব্যবহার করে বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালান।

এছাড়াও বিথি বেগমের বিরুদ্ধে বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে অর্থ আত্মসাৎ, নারী মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রাখা এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় ভয়ভীতি তৈরির অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এই সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত, ছাত্র হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মাদক-চাঁদাবাজি-দখল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com