শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কোটচাঁদপুরে ভূমি কর্মকর্তার কাণ্ড: ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ মামলা হলেও ধরছে না পুলিশ: এলাকায় সক্রিয় ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনী গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণে পল্লবীতে দাবিতে ইসলামি ব্যাংকের মানববন্ধন ও কলম বিরতি পল্লবীতে বিএনপি নেতা ‘মুন্না’কে হেরোইন ও ইয়াবাসহ আটক করেছে ডিবির পুলিশ মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৫ জন গ্রেফতার হাদি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য, সামনে এলো আরও কয়েকজনের নাম প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ বাতিল, গ্রাহকদের স্বস্তি মিরপুরে গোপনে গড়ে ওঠা ‘মোল্লা সাম্রাজ্য’, আড়ালে থাকেন উপসচিব ‘আবু সাঈদ’ মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব: প্রতিবাদ করায় দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

টঙ্গীতে গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও আত্মসাতের অভিযোগ: অফিস কক্ষ সিলগালা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে মোটা অংকের ঘুষ এবং মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের সহকারী পরিচালক (গোয়েন্দা) মারফিয়া আফরোজ-এর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রাপ্তির পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁর অফিস কক্ষ সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

‎ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কর্মকর্তা অসুস্থতার অজুহাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

‎গত ২২ জুন সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় মারফিয়া আফরোজের নেতৃত্বে টঙ্গী থানার দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। বাসার তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ভাড়াটিয়া রমিজ উদ্দিন এর ঘর থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
‎অভিযানের সময় রমিজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, বহন ও বিক্রয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

‎তবে অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের সময় উদ্ধারকৃত চেক ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়নি। বরং সেগুলো নিজ জিম্মায় রেখে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে অফিসে জমা রাখেন মারফিয়া আফরোজ।

‎এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নেওয়া দলের সদস্যরাও অভিযোগ করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে। এরপরই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিয়ে তার অফিস কক্ষ সিলগালা করেন।

‎বুধবার বিকেলে অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন) বশির আহমেদের নেতৃত্বে সিনিয়র কর্মকর্তারা সিলগালা করা কক্ষ তল্লাশি করেন এবং পরে আবার কক্ষটি সিলগালা করে রাখেন।
‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) বদর উদ্দিন, অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা বিভাগ), উপপরিচালক (গোয়েন্দা) খুরশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

‎এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পরিচালক (অপারেশন) অতিরিক্ত ডিআইজি বশির আহমেদ বলেন, “বিষয়টি এখনই বিস্তারিত বলছি না। আপনারা যা জানেন তাই লিখুন, পরে সব জানানো হবে।”

‎অন্যদিকে অভিযুক্ত মারফিয়া আফরোজের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

‎এই অভিযানে মারফিয়া আফরোজ ছাড়াও অংশগ্রহণ করেন—পরিদর্শক সাহরিয়া শারমিন, উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ জান্নাতুল ফেরদাউস, সহকারী উপপরিদর্শক আতাবুল হক, এবং সিপাহী সোহেল রানা, সাইমুম হাসান গান, ও লুৎফর রহমান।

‎উল্লেখ্য, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে লুটপাট ও ঘুষ বাণিজ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে নিত্যনৈমিত্তিক অভিযোগে পরিণত হয়েছে। কয়েকদিন আগেই টাঙ্গাইলে অনুরূপ অভিযোগে তিনজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com