বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও দখলমুক্ত ঢাকা-১৬ গড়তে কাজ করবেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেন ‎ ‎ ‎ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি’র পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান? ১১-দলীয় জোটের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধিত ঢাকা-১৬ এর নবনির্বাচিত এমপি কর্নেল আব্দুল বাতেন ঢাকা-১৬ আসনের সকল ব্যানার–ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশ আমিনুল হকের ঢাকা-১৬ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, পুনঃনির্বাচনের দাবি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা আমিনুল হকের ঈশ্বরগঞ্জ আসনে নবনির্বাচিত এমপির বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধের নির্দেশ মিরপুরের ভূমিদস্যু, প্রতারক, চাঁদাবাজ ও খুনের মামলার আসামি আমির-জহিরের দৌরাত্ম্য খোলস পাল্টে নির্বাচনী মাঠে শেখ তাপসের সহযোগী সালাউদ্দিন, বিএনপির ছায়া পেতে মরিয়া

টঙ্গীতে গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও আত্মসাতের অভিযোগ: অফিস কক্ষ সিলগালা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে মোটা অংকের ঘুষ এবং মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের সহকারী পরিচালক (গোয়েন্দা) মারফিয়া আফরোজ-এর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রাপ্তির পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁর অফিস কক্ষ সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

‎ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কর্মকর্তা অসুস্থতার অজুহাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

‎গত ২২ জুন সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় মারফিয়া আফরোজের নেতৃত্বে টঙ্গী থানার দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। বাসার তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ভাড়াটিয়া রমিজ উদ্দিন এর ঘর থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
‎অভিযানের সময় রমিজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, বহন ও বিক্রয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

‎তবে অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের সময় উদ্ধারকৃত চেক ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়নি। বরং সেগুলো নিজ জিম্মায় রেখে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে অফিসে জমা রাখেন মারফিয়া আফরোজ।

‎এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নেওয়া দলের সদস্যরাও অভিযোগ করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে। এরপরই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিয়ে তার অফিস কক্ষ সিলগালা করেন।

‎বুধবার বিকেলে অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন) বশির আহমেদের নেতৃত্বে সিনিয়র কর্মকর্তারা সিলগালা করা কক্ষ তল্লাশি করেন এবং পরে আবার কক্ষটি সিলগালা করে রাখেন।
‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) বদর উদ্দিন, অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা বিভাগ), উপপরিচালক (গোয়েন্দা) খুরশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

‎এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পরিচালক (অপারেশন) অতিরিক্ত ডিআইজি বশির আহমেদ বলেন, “বিষয়টি এখনই বিস্তারিত বলছি না। আপনারা যা জানেন তাই লিখুন, পরে সব জানানো হবে।”

‎অন্যদিকে অভিযুক্ত মারফিয়া আফরোজের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

‎এই অভিযানে মারফিয়া আফরোজ ছাড়াও অংশগ্রহণ করেন—পরিদর্শক সাহরিয়া শারমিন, উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ জান্নাতুল ফেরদাউস, সহকারী উপপরিদর্শক আতাবুল হক, এবং সিপাহী সোহেল রানা, সাইমুম হাসান গান, ও লুৎফর রহমান।

‎উল্লেখ্য, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে লুটপাট ও ঘুষ বাণিজ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে নিত্যনৈমিত্তিক অভিযোগে পরিণত হয়েছে। কয়েকদিন আগেই টাঙ্গাইলে অনুরূপ অভিযোগে তিনজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com