মন্ত্রী বলেন, ‘পেট্রোল পাম্পের সামনে গেলে দেখা যায় বিশাল লাইন। যেহেতু যুদ্ধ চলছে এবং অনেক জায়গায় শোধনাগারে বোমা হামলা হচ্ছে, তাই আমরা যে মজুত আছে সেটি সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে বলেছি। এজন্য রেশনিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি না যুদ্ধ কতদিন চলবে। তাই সতর্কতার অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
সরকারের ওপর জ্বালানি সংকট নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, যার সঙ্গে জ্বালানির বিষয়টি সরাসরি জড়িত।
তিনি বলেন, ‘আমরা একটা ভঙ্গুর অবস্থা পেয়েছি। ঋণে জর্জরিত একটা অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নিতে হয়েছে। এর মধ্যেই যুদ্ধ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন আমাকে মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হয়।’
জ্বালানির দাম বাড়ানো নিয়ে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিরোধীরা আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে যুদ্ধের কারণে আমরা দাম বাড়াবো। কিন্তু আমরা আশ্বস্ত করছি, আপাতত জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তাই আতঙ্কে মজুত করার প্রয়োজন নেই।’
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
Leave a Reply