রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
দুই অবুঝ শিশুর চোখের জল আর স্ত্রীর হাহাকার: শাহাদাত হত্যার বিচারের অপেক্ষায় একটি পরিবার হামলা-লুটপাটে জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার-৩ পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার বানারীপাড়ায় রাজু’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীকর্মকান্ডের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা-ছেলে রূপনগরে ওপেন হাউস ডে: অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার ডাক মিরপুর প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা খান সেলিম রহমান অসুস্থ: দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ বিআরটিএ কর্মকর্তা ‘রাশেদ মিলন’র বিরুদ্ধে ৩৩নং ওয়ার্ডে আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিতদের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শেরপুরে সরকারি রেস্ট হাউস দখলে উপপরিচালক, ভাড়া ভাতা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে তৎপরতা: আলোচনায় মেহেরুন্নেসা হক

গাঁজা আটক ঘটনায় আসামি পলায়ন, স্থানীয়দের অভিযোগে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব অবহেলা ‎

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের লামাবায়েক এলাকায় এক নাটকীয় ঘটনায় দুই কেজি গাঁজাসহ আটক হওয়া এক আসামি জিম্মাদারের হাত থেকে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

‎লালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন ও মিজান মিয়া যৌথভাবে মনতাজ মিয়াকে ২ কেজি গাঁজাসহ আটক করেন। পরে বরব্রিজ এলাকায় তার চালানো রিকশাসহ আটক করে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

‎এসময় মামুন মিয়ার ছেলে মনির ও সফর মিয়ার ছেলে লিমনের জিম্মায় আসামিকে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু সিএনজি স্টেশনের কাছে পৌঁছালে আসামি হঠাৎ পালিয়ে যায়।  মনির ও লিমনের দাবি তাদের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায় মনতাজ।

‎পরে তার কাছ থেকে জব্দকৃত ২ কেজি গাঁজা ও রিকশাটি আশুগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎গোপন সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় মোটা অংকের টাকা লেনদেন হয়েছে। ফলে তিন পক্ষই কোনো না কোনোভাবে লাভবান হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

‎জিম্মাদারদের পুলিশ জবাবদিহিতায় না আনায় সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন অপরাধী পেলো ছাড়া, জিম্মাদার পেলো আর্থিক সুবিধা, আর পুলিশ পেলো গাঁজা ও রিকশা, যেহেতু আসামি নাই, সরকারিভাবে জব্দ তালিকারও প্রয়োজন পড়েনি।

‎স্থানীয়রা মনে করছেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। অপরাধীকে পুলিশের কাছে সরাসরি হস্তান্তর না করে তিনি তৃতীয় পক্ষের জিম্মায় দিয়ে “শেয়ালের কাছে মুরগী বরগা দেওয়ার মতো কাজ” করেছেন। ‎এ কারণে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে।

ঘটনাটি এলাকাবাসীর মধ্যে জানাজানি হলে, সমালোচনার মুখে পড়ে অপরাধীকে পুলিশের কাছে তুলে দিতে বাধ্য হয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন।

এমন নেক্কারজনক ‎ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউই দায় এড়াতে পারবে না বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও ইউএনও-এর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছে, এ ঘটনার পেছনের সব তথ্য ও গোপন চক্রের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা জরুরি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com