বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে তৎপরতা: আলোচনায় মেহেরুন্নেসা হক সাংবাদিক ‘রিয়াদুল মামুন সোহাগ’র জন্মদিন ভোলায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিকের পরিবারের ওপর ফের হামলার অভিযোগ নবীনগরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা না আত্মহত্যা-রহস্যে ঘেরা মৃত্যু যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের যতসব অভিযোগ কিবরিয়া হত্যার নেপথ্যে রাজনৈতিক আধিপত্য ও চাঁদাবাজি গাজীপুরে কিশোরকে হত্যাচেষ্টা ও ছিনতাই: কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা, জখম ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর খুনির সহযোগীর বক্তব্য আমরা শুনি না : জামায়াত আমির দ্বিতীয় দিনের মতো কমলো স্বর্ণের দাম

ছাতার নিচে কর্মকর্তা বৃষ্টিতে ভিজলো শিশুরা: ফটোসেশন ঘিরে সমালোচনার ঝড়

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃষ্টিভেজা একটি ফটোসেশন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আলোচিত এই ঘটনায় বিদ্যালয় পরিদর্শনে যাওয়া সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন সিকদারকে ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও, পাশে থাকা কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বৃষ্টিতে ভিজে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একাধিক ছবিতে দেখা যায়, কর্মকর্তার মাথায় ছাতা থাকলেও একাধিক শিশুর মাথায় নেই কোনো ছাতা বা বৃষ্টিরোধী ব্যবস্থা। ছবি পোস্ট হওয়ার পরই তা নেটিজেনদের নজরে আসে এবং মুহূর্তেই সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ও অভিভাবকেরা বিষয়টিকে ‘অমানবিক’ ও ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে আখ্যা দেন। একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শ্রেণিকক্ষে ছবি তোলা যেতো। শিশুরা বৃষ্টি খেয়ে অসুস্থ হলে দায় নেবে কে?”

একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “ফটোসেশন যদি করতেই হয়, তাহলে আগে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত ছিল। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়।”

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “ছাত্রছাত্রীরা ভিজেছে, বিষয়টি আমাদেরও কষ্ট দিয়েছে। তবে ওপর থেকে নির্দেশনা আসায় আমরা কিছু বলতে পারিনি।”

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেকোনো ফটোসেশন বা লোকদেখানো কার্যক্রমের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
একজন অভিভাবক বলেন, “শিশুরা ভিজছে, আর কর্মকর্তা ছাতার নিচে এই ছবিই যেন আজকের প্রশাসনিক বাস্তবতা। এটা কষ্টদায়ক।

শিশুদের প্রতি দায়িত্বশীলতা ও মানবিক আচরণ প্রত্যেক শিক্ষা কর্মকর্তার নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com