শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার বানারীপাড়ায় রাজু’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীকর্মকান্ডের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা-ছেলে রূপনগরে ওপেন হাউস ডে: অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার ডাক মিরপুর প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা খান সেলিম রহমান অসুস্থ: দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ বিআরটিএ কর্মকর্তা ‘রাশেদ মিলন’র বিরুদ্ধে ৩৩নং ওয়ার্ডে আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিতদের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শেরপুরে সরকারি রেস্ট হাউস দখলে উপপরিচালক, ভাড়া ভাতা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে তৎপরতা: আলোচনায় মেহেরুন্নেসা হক সাংবাদিক ‘রিয়াদুল মামুন সোহাগ’র জন্মদিন ভোলায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিকের পরিবারের ওপর ফের হামলার অভিযোগ

মিরপুরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? এমপির সফরে রূপনগর থানা পুলিশের উপস্থিতিতেও বিশৃঙ্খলা ‎

এস এম জীবন, ঢাকা
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬


‎রাজধানীর ঢাকার মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের “ট” ব্লকে গত সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে কয়েকজন বাসিন্দাকে মারধর করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হারুন ও সাঈদসহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।

‎স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী চক্র এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে ভিন্ন মতের লোকজনকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।

‎গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে ঢাকা-১৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বাতেন (অব.) ঘটনাস্থলে যান। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে স্বাগত জানাতে সমবেত হন এবং ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় হারুনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন ব্যক্তি কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে আপত্তিকর স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে খবর পেয়ে রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

‎অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের উপস্থিতির মধ্যেও কিছু উশৃঙ্খল ব্যক্তি উত্তেজনাকর আচরণ অব্যাহত রাখে। একপর্যায়ে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা স্থানীয় সমর্থকদের লক্ষ্য করে ঢিল ও পানির বোতল নিক্ষেপ করা হয়। এতে এমপির গায়েও আঘাত লাগে বলে উপস্থিতরা দাবি করেন। যদিও বড় ধরনের কোনো শারীরিক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে তারা ভিন্ন রাজনৈতিক মতের বাসিন্দাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর এবং সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

‎পরিস্থিতি আরও অবনতির হাত থেকে রক্ষা করতে সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বাতেন (অব.) উপস্থিত সবাইকে ধৈর্য ধারণ ও শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের কথা বলেন এবং পরে স্থান ত্যাগ করেন।

‎এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং হামলাকারী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন তারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com