শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
Casoola’s Online Casino: Je Definitieve Wegwijzer richting ‘n Memorabele Gokbeleving পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়: বাউনিয়াবাঁধ পুকুরপাড় বস্তিবাসীর মানববন্ধন উন্নত চিকিৎসা সেবা আর পরম যত্নের প্রতিচ্ছবি: শ্যামলী বেবি কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল মিরপুরে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল আত্মগোপনে থাকা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার, আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা বোনের তদবির উত্তরার বিডিআর মার্কেটে পার্কিং স্থান নিয়ে ফের উত্তেজনা, আদালতের নির্দেশনা মানার দাবি ব্যবসায়ীদের পল্লবীতে কিশোর গ্যাং দমনে র‌্যাবের অভিযান: “ভইরা-দে গ্রুপ” এর সক্রিয় তিন সদস্য আটক শ্রমিকদের ক্ষোভে থমকে গেল তেজগাঁও, আড়াই ঘণ্টা পর মিলল সমাধানের আশ্বাস ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

পুলিশের বর্বরতার ভিডিও দেখে ট্রাইব্যুনালে সবার চোখ টলমল!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
পুলিশের বর্বরতার ভিডিও দেখে ট্রাইব্যুনালে সবার চোখ টলমল!

ঘটনা গত বছরের ৫ আগস্ট। কলেজপড়ুয়া একটি ছেলেকে ধরে আছে কয়েকজন পুলিশ সদস্য। চড়-থাপ্পড়, কিল- ঘুষি মারছে। কেউ কেউ আবার কলার ধরে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে। একটু দূর থেকেই দৌড়ে এলো এক পুলিশ সদস্য। কাছে এসেই হৃদয়ের পিঠে বন্দুক ঠেকিয়ে ট্রিগার টেনে দিলেন। গুলির বিকট শব্দ। মাত্র ৩ সেকেন্ডেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন হৃদয়। ছটফট করে হাত-পা নাড়তে থাকেন। দাঁড়াতে চেষ্টা করেন। তবে পারেননি। একটু পরই নিথর হয়ে যায় মাটিতে পড়ে থাকা হৃদয়ের দেহ।

নিহত হৃদয়ের লাশ তার স্বজনদের ফেরত দেয়নি পুলিশ। লাশ কোথায় রাখা হয়েছে-দাফন করা হয়েছে নাকি ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা এখনো জানতে পারেনি হৃদয়ের পরিবার।

এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও দেখে যে কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার নাম আকরাম। গত ৬ সেপ্টেম্বর আকরামকে তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পারাইল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ৩/২৫।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ একটি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম কলেজছাত্র হৃদয়কে হত্যার ভিডিও প্রদর্শন করেন। ট্রাইব্যুনালের বড় স্ক্রিনে যখন ভিডিওটি প্রদর্শিত হচ্ছিল তখন সবার চোখ টলমল করছিল। নেমে আসে পিনপতন নিরবতা।

এদিন চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালে জানান, কনস্টেবল আকরাম জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয় হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। হৃদয়ের লাশ পুলিশ ওইদিন তুরাগ নদীর কড্ডা ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়।

জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় স্বৈরাচার খুনি শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com