বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
Casoola’s Online Casino: Je Definitieve Wegwijzer richting ‘n Memorabele Gokbeleving পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়: বাউনিয়াবাঁধ পুকুরপাড় বস্তিবাসীর মানববন্ধন উন্নত চিকিৎসা সেবা আর পরম যত্নের প্রতিচ্ছবি: শ্যামলী বেবি কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল মিরপুরে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল আত্মগোপনে থাকা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার, আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা বোনের তদবির উত্তরার বিডিআর মার্কেটে পার্কিং স্থান নিয়ে ফের উত্তেজনা, আদালতের নির্দেশনা মানার দাবি ব্যবসায়ীদের পল্লবীতে কিশোর গ্যাং দমনে র‌্যাবের অভিযান: “ভইরা-দে গ্রুপ” এর সক্রিয় তিন সদস্য আটক শ্রমিকদের ক্ষোভে থমকে গেল তেজগাঁও, আড়াই ঘণ্টা পর মিলল সমাধানের আশ্বাস ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

বিডিআর বিদ্রোহ: হাসিনা ও ভারতের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঘটে যাওয়া বিডিআর বিদ্রোহ ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। ঢাকার পিলখানায় বিডিআরের সদর দপ্তরে এ বিদ্রোহে ৭৪ জন মানুষ প্রাণ হারান, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। বিদ্রোহটি নিয়ে একাধিক তদন্ত, বিচার ও বিশ্লেষণ হলেও এ নিয়ে এখনও বহু প্রশ্ন রয়ে গেছে—বিশেষ করে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়টি।

১. বিদ্রোহের সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

ঘটনার মাত্র এক মাস আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের একেবারে শুরুর দিকে এই বিদ্রোহ ঘটে যাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, এটি কি পরিকল্পিত ছিল? নাকি নতুন সরকারের প্রস্তুতির অভাব কাজে লাগিয়ে একটি ‘ডিপ-স্টেট’ অপারেশন চালানো হয়?

২. সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাস ও বিচ্ছিন্নতা:

ঘটনার দিন এবং পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনী ও সরকারের মধ্যে দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বিদ্রোহ চলাকালীন সেনাবাহিনীকে ঘটনাস্থলে যেতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এ সিদ্ধান্ত বিদ্রোহকে দীর্ঘস্থায়ী ও প্রাণঘাতী করে তোলে।

৩. ভারতের প্রতিক্রিয়া ও বিদ্রোহকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ:

বিডিআর বিদ্রোহের সময় ভারতীয় মিডিয়ায় আগেভাগেই তথ্য ফাঁস হয়। কিছু প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা বিদ্রোহের সম্ভাবনার বিষয়ে আগে থেকেই অবগত ছিল। পাশাপাশি, বিদ্রোহের একাধিক সন্দেহভাজন নেতা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, যা ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর রহস্যজনক প্রতিক্রিয়ায় প্রশ্ন তোলে।

৪. দ্রুত ও রহস্যজনক বিচার:

বিডিআর বিদ্রোহের বিচার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা হয়। এ বিচারপ্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। অনেকে মনে করেন, প্রকৃত পরিকল্পনাকারীদের আড়াল করতেই বিচারকে সীমিত ও দ্রুত করা হয়।

৫. শেখ হাসিনার বক্তব্য ও আচরণ:

ঘটনার পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর সদস্যদের ‘ভ্রান্ত পথভ্রষ্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং কৌশলে সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, সরকারের ‘অত্যন্ত সংযত’ প্রতিক্রিয়া এই ধারণাকে জোরদার করে যে, সরকার হয় পূর্ব থেকে জানত বা বিদ্রোহকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com