রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
পল্লবীতে শিশু হত্যার ঘটনা: ঘটনাস্থলে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ময়মনসিংহে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার: ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার-৩ রূপনগরে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচনায় মাদবর পরিবার পল্লবীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে দম্পতির ওপর হামলা: ফের আলোচনায় মাদক সম্রাজী শাহীনুর ‎ ‎ মাহিন্দ্র গাড়িচালককে মারধর, তেল-ব্যাটারি ও চাকা চুরির দায়ে থানায় অভিযোগ পল্লবী থানা উত্তরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুই অবুঝ শিশুর চোখের জল আর স্ত্রীর হাহাকার: শাহাদাত হত্যার বিচারের অপেক্ষায় একটি পরিবার হামলা-লুটপাটে জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার-৩ পল্লবীতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার বানারীপাড়ায় রাজু’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীকর্মকান্ডের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা-ছেলে

জামায়াতের নিবন্ধন ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পুনরুদ্ধার কবে হবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫

বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় নিবন্ধন এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। ২০১৩ সালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলে, দলটি সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ হারায়। এরপর থেকেই দলটি আইনি ও সাংগঠনিকভাবে পুনরায় নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য ও দলীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, জামায়াত ইসলামী আবারও নিবন্ধন পেতে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দলটি ইতোমধ্যে নতুন নামে নিবন্ধনের চেষ্টা করেছে এবং একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে যারা নির্বাচন কমিশনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এ ছাড়া উচ্চ আদালতে মামলার মাধ্যমে পুরনো নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

নিবন্ধন পাওয়ার ক্ষেত্রে মূল বাধা হিসেবে রয়েছে ২০১৩ সালের হাইকোর্টের রায়, যেখানে বলা হয় জামায়াতের গঠনতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই নতুন নিবন্ধন পেতে হলে দলটিকে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সংবিধানসম্মত মূলনীতি মেনে চলার সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা দিতে হবে।

দলীয় সূত্রের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত নিবন্ধন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে চায়। অনানুষ্ঠানিকভাবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, নির্বাচন কমিশনও আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে নতুন করে আবেদন করলে তা বিবেচনা করতে পারে। তবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরে পাওয়া আরও কঠিন হতে পারে, কারণ প্রতীক ব্যবহারের বিষয়টি নিবন্ধনের পাশাপাশি আলাদাভাবে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষ।

সব মিলিয়ে জামায়াত ইসলামী নিবন্ধন ও প্রতীক পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় আছে, তবে তা কত দ্রুত সফল হবে, তা নির্ভর করবে আইনি, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নানা স্তরের সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে বড় কোনো অগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com