শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
Casoola’s Online Casino: Je Definitieve Wegwijzer richting ‘n Memorabele Gokbeleving পল্লবীতে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়: বাউনিয়াবাঁধ পুকুরপাড় বস্তিবাসীর মানববন্ধন উন্নত চিকিৎসা সেবা আর পরম যত্নের প্রতিচ্ছবি: শ্যামলী বেবি কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল মিরপুরে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল আত্মগোপনে থাকা যুবলীগ নেতা গ্রেফতার, আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা বোনের তদবির উত্তরার বিডিআর মার্কেটে পার্কিং স্থান নিয়ে ফের উত্তেজনা, আদালতের নির্দেশনা মানার দাবি ব্যবসায়ীদের পল্লবীতে কিশোর গ্যাং দমনে র‌্যাবের অভিযান: “ভইরা-দে গ্রুপ” এর সক্রিয় তিন সদস্য আটক শ্রমিকদের ক্ষোভে থমকে গেল তেজগাঁও, আড়াই ঘণ্টা পর মিলল সমাধানের আশ্বাস ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

বিয়ের ২ মাসেই ফিকে ৯ বছরের প্রেম, স্ত্রীর হাতে খুন স্বামী

আস্তর্জাতিক ডেক্স
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
বিয়ের ২ মাসেই ফিকে ৯ বছরের প্রেম, স্ত্রীর হাতে খুন স্বামী

উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ৯ বছরের দীর্ঘ প্রেমের পর হওয়া বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় স্ত্রীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন স্বামী।

৩৩ বছর বয়সী জিতেন্দ্র কুমার যাদবকে গত ২৬ জানুয়ারি ইজ্জতনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। শুরুতে প্রতিবেশীদের জানানো হয়েছিল জিতেন্দ্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ‘শ্বাসরোধ করে হত্যা’র প্রমাণ মেলায় পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে এক শিউরে ওঠার মতো তথ্য।

পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী গত ২৫ নভেম্বর জিতেন্দ্র এবং জ্যোতির বিয়ে হয়েছিল ছাত্রজীবনের দীর্ঘ সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে। তবে বিয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে তিক্ততা শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, জিতেন্দ্র জ্যোতির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে অনলাইন জুয়ায় হেরে যান, যা নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো। গত ২৬ জানুয়ারি এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছালে জ্যোতি তার বাবা কালীচরণ, মা চামেলি এবং ভাই দীপককে ডেকে পাঠান।

তদন্তে উঠে এসেছে, জ্যোতির পরিবারের সদস্যরা বাসায় আসার পর জিতেন্দ্রর সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে জ্যোতির বাবা, মা এবং ভাই জিতেন্দ্রর হাত-পা চেপে ধরেন এবং সেই অবস্থায় জ্যোতি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য জিতেন্দ্রর গলায় একটি মাফলার পেঁচিয়ে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তারা প্রতিবেশীদের ডেকে নাটক করেন যে জিতেন্দ্র আত্মহত্যা করেছেন।

শুরুতে পুলিশ একে আত্মহত্যার প্ররোচনা হিসেবে মামলা করলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর তা সরাসরি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জ্যোতি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন যে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তিনি এই কাজ করেছেন।

জিতেন্দ্র বেরেলির ইন্ডিয়ান ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চুক্তিবদ্ধ কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং জ্যোতি উত্তরপ্রদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন।

এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যে জ্যোতি ও তার বাবা-মাকে গ্রেফতার করেছে, তবে তার ভাই দীপক এখনও পলাতক রয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com