বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
নতুন উদ্যমে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: দায়িত্বের প্রথম দিনেই সক্রিয় আমিনুল হক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও দখলমুক্ত ঢাকা-১৬ গড়তে কাজ করবেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেন ‎ ‎ ‎ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি’র পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান? ১১-দলীয় জোটের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধিত ঢাকা-১৬ এর নবনির্বাচিত এমপি কর্নেল আব্দুল বাতেন ঢাকা-১৬ আসনের সকল ব্যানার–ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশ আমিনুল হকের ঢাকা-১৬ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, পুনঃনির্বাচনের দাবি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা আমিনুল হকের ঈশ্বরগঞ্জ আসনে নবনির্বাচিত এমপির বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধের নির্দেশ মিরপুরের ভূমিদস্যু, প্রতারক, চাঁদাবাজ ও খুনের মামলার আসামি আমির-জহিরের দৌরাত্ম্য

রাজধানীতে টার্গেট কিলিংয়ের ভয়াবহ নেটওয়ার্ক ‎বিদেশে বসে সুপারি, ঢাকায় ৪৫০ ভাড়াটে শুটার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
রাজধানীতে টার্গেট কিলিংয়ের ভয়াবহ নেটওয়ার্ক ‎বিদেশে বসে সুপারি, ঢাকায় ৪৫০ ভাড়াটে শুটার

‎রাজধানীতে একের পর এক টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রকাশ্য রাস্তায়, বাসার সামনে কিংবা জনবহুল এলাকায় পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ড রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ‎

‎পুলিশের অনুসন্ধান এবং গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের শীর্ষ ১৩ জন কুখ্যাত সন্ত্রাসী বিদেশে অবস্থান করেই রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিচ্ছে। তাদের দেওয়া ‘হত্যার সুপারি’ বাস্তবায়ন করছে ঢাকায় সক্রিয় প্রায় সাড়ে চারশো (৪৫০) ভাড়াটে শুটার। ‎ ‎ ‎গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এগুলো সুপরিকল্পিত টার্গেট কিলিংয়ের অংশ। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের আগে দীর্ঘদিন নজরদারি, ভুক্তভোগীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং পালানোর রুট নির্ধারণ করা হয়। হত্যার পরপরই শুটাররা এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায়। ‎ ‎

‎তদন্তে জানা গেছে, শীর্ষ এই সন্ত্রাসীরা মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে অবস্থান করছে। এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ও গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা ঢাকার মাঠপর্যায়ের অপরাধীদের নির্দেশনা দেয়। অর্থ লেনদেনও হচ্ছে হুন্ডি ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে। ‎ ‎‎গোয়েন্দা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হচ্ছেন- প্রভাবশালী স্থানীয় নেতা ‎অপরাধ জগতের প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সদস্য ‎চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে বাধা হয়ে দাঁড়ানো ব্যক্তি এর মাধ্যমে রাজধানীর অপরাধ জগতে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখাই মূল লক্ষ্য।

‎‎ডিএমপি ও গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, টার্গেট কিলিংয়ের পেছনের নেটওয়ার্ক ভাঙতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন শুটারদের তালিকা তৈরি, অস্ত্রের উৎস শনাক্ত এবং বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে। ‎ ‎এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই নেটওয়ার্ক যতই শক্তিশালী হোক, আমরা ধাপে ধাপে সবাইকে আইনের আওতায় আনবো। রাজধানীতে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ‎জনমনে আতঙ্ক, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি ‎একাধিক টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ‎ ‎সাধারণ মানুষ দ্রুত দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ‎বিশ্লেষকদের মতে, টার্গেট কিলিং রোধে শুধু অভিযান নয়, অর্থের উৎস বন্ধ করা ও বিদেশে অবস্থানরত অপরাধী নেতৃত্বকে আইনের আওতায় আনাই হবে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।এই নিউজ এর থামবেল এর প্রোমট দাও

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com