শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কোটচাঁদপুরে ভূমি কর্মকর্তার কাণ্ড: ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ মামলা হলেও ধরছে না পুলিশ: এলাকায় সক্রিয় ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনী গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণে পল্লবীতে দাবিতে ইসলামি ব্যাংকের মানববন্ধন ও কলম বিরতি পল্লবীতে বিএনপি নেতা ‘মুন্না’কে হেরোইন ও ইয়াবাসহ আটক করেছে ডিবির পুলিশ মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৫ জন গ্রেফতার হাদি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য, সামনে এলো আরও কয়েকজনের নাম প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ বাতিল, গ্রাহকদের স্বস্তি মিরপুরে গোপনে গড়ে ওঠা ‘মোল্লা সাম্রাজ্য’, আড়ালে থাকেন উপসচিব ‘আবু সাঈদ’ মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব: প্রতিবাদ করায় দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

ময়মনসিংহে ডিভোর্সি স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা: গুলকিবাড়িতে লোমহর্ষক ঘটনা

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

ময়মনসিংহ নগরীর গুলকিবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকালে এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গেছে। ডিভোর্সি স্ত্রীকে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূ রওশন আক্তার (৪২) নেত্রকোনার রাজুর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ঘাতক রাকিবুল করিম রাকিব (৫০) ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। রাকিব দীর্ঘদিন দুবাই প্রবাসী ছিলেন এবং সম্প্রতি দেশে ফিরে এসেছেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে রাকিব কাজের মেয়ে সেজে বোরকা পরে নগরীর গুলকিবাড়ির একটি ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে। ওই সময় রওশন আক্তারের ছোট মেয়ে—একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তিনি রওশনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। পরে নিজেও আত্মহত্যা করেন।

রওশন আক্তারের দুই কন্যা রয়েছে—বড় মেয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ছোট মেয়ে ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা করছে। ডিভোর্সের পর রওশন দুই মেয়েকে নিয়ে গুলকিবাড়ি এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসেন ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর সার্কেলের কর্মকর্তা, কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ও ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ। তারা তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি হত্যা-পরবর্তীতে আত্মহত্যা না-কি ভিন্ন কোনো ঘটনা—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com