বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও দখলমুক্ত ঢাকা-১৬ গড়তে কাজ করবেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেন ‎ ‎ ‎ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি’র পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান? ১১-দলীয় জোটের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধিত ঢাকা-১৬ এর নবনির্বাচিত এমপি কর্নেল আব্দুল বাতেন ঢাকা-১৬ আসনের সকল ব্যানার–ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশ আমিনুল হকের ঢাকা-১৬ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, পুনঃনির্বাচনের দাবি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা আমিনুল হকের ঈশ্বরগঞ্জ আসনে নবনির্বাচিত এমপির বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধের নির্দেশ মিরপুরের ভূমিদস্যু, প্রতারক, চাঁদাবাজ ও খুনের মামলার আসামি আমির-জহিরের দৌরাত্ম্য খোলস পাল্টে নির্বাচনী মাঠে শেখ তাপসের সহযোগী সালাউদ্দিন, বিএনপির ছায়া পেতে মরিয়া

বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থায় দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্ট কমিটির নেতৃত্বে চলমান দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও গঠনতান্ত্রিক অনিয়মের বিরুদ্ধে আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামনে বধির জনগোষ্ঠীর আয়োজনে এক বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৯টায় শুরু হওয়া মানববন্ধনে অংশ নেন প্রায় ২০০-এর বেশি বধির ও তাদের সমর্থক সদস্য। “দুর্নীতিবাজদের বিচার চাই”, “মিথ্যা তদন্ত নয়, স্বচ্ছ তদন্ত চাই”, “বধিরদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করো”—এমন নানা স্লোগানে মুখর ছিল গোটা এলাকা।

মানববন্ধনকারীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থার সাবেক সভাপতি তৈমুর আলম খন্দকার এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাহিদ হাসান দিপু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আশীর্বাদে বহুদিন ধরে সংস্থাকে জিম্মি করে রেখেছিলেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা আর্থিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতির জাল বিস্তার করেছিলেন।

তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়:

অডিটবিহীন অর্থ ব্যয় ও হিসাব গোপন, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সদস্যপদ প্রদান, একক সিদ্ধান্তে অর্থ উত্তোলন, ভুয়া তদন্ত কমিটি গঠন করে বাজেট অপচয়, সংস্থার গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে আজীবন সদস্যপদ প্রদান

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, আদালতের নির্দেশ থাকলেও তারা সংস্থার দায়িত্ব তত্ত্বাবধায়ক বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করেননি বরং জোরপূর্বক ক্ষমতায় আসীন ছিলেন। পরবর্তীতে গণদাবির মুখে, তৃণমূল বধির সদস্য ও স্থানীয় বিশিষ্টজনদের সহায়তায় তারা অপসারিত হন।

বর্তমানে, উক্ত সাবেক নেতৃবৃন্দ পুনরায় সংস্থায় প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং জনপ্রিয় তত্ত্বাবধায়ক কমিটির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।

বক্তারা বাংলাদেশ সমাজসেবা অধিদপ্তরের কাছে জোরালোভাবে দাবি জানান—বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্ট কমিটির দুর্নীতির নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে, অভিযুক্তদের সদস্যপদ বাতিল করতে হবে এবং বধির জনগণের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

এক বধির সদস্য ইশারাভাষায় বলেন, “আমরা আর কারো অধীনে নয়—আমরা চাই নিজেদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্বকারী নেতৃত্ব। দুর্নীতির বিচার ছাড়া সামনে এগোনো সম্ভব নয়।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com