শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কোটচাঁদপুরে ভূমি কর্মকর্তার কাণ্ড: ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ মামলা হলেও ধরছে না পুলিশ: এলাকায় সক্রিয় ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনী গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণে পল্লবীতে দাবিতে ইসলামি ব্যাংকের মানববন্ধন ও কলম বিরতি পল্লবীতে বিএনপি নেতা ‘মুন্না’কে হেরোইন ও ইয়াবাসহ আটক করেছে ডিবির পুলিশ মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৫ জন গ্রেফতার হাদি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন তথ্য, সামনে এলো আরও কয়েকজনের নাম প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ বাতিল, গ্রাহকদের স্বস্তি মিরপুরে গোপনে গড়ে ওঠা ‘মোল্লা সাম্রাজ্য’, আড়ালে থাকেন উপসচিব ‘আবু সাঈদ’ মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব: প্রতিবাদ করায় দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

‘ফেনসিডিল রানী’ লাভলীর বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন ও মানব পাচারের ভয়াবহ অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫

দেশের একাধিক পতিতা পল্লীতে নিয়ন্ত্রণ বিস্তারকারী কুখ্যাত ‘ফেনসিডিল রানী’ লাভলী সরকার ওরফে লাভলী সরদারনীর বিরুদ্ধে উঠেছে শিশু নির্যাতন, মানব পাচার ও ভয়াবহ মাদক সংশ্লিষ্টতার গুরুতর অভিযোগ।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, পতিতা পল্লীর ১২-১৪ বছর বয়সী উঠতি বয়সী মেয়েদের দ্রুত শারীরিক পরিবর্তন ঘটাতে এবং বাজারে ‘আকর্ষণীয়’ করে তুলতে জোরপূর্বক খাওয়ানো হচ্ছে পশুর মোটাতাজাকরণে ব্যবহৃত গরুর বড়ি—স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘পাম বড়ি’ হিসেবে। যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং সম্পূর্ণ বেআইনি।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতি মেয়ে ‘উঠাতে’ দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নেয় লাভলী। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাঁড়ি পুলিশের নাম ভাঙিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করে বলে জানা গেছে। এমন একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে লাভলীকে প্রকাশ্যে বলতে শোনা যায়—
“আমার ফেনসিডিল লাগে, আমি খাই—আপনাদের কী?”

স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন, এই বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল সে কোথা থেকে পাচ্ছে? কারা তাকে মদত দিচ্ছে? কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি কি এতে জড়িত? এখানে বহিরাগত দুই তিনজন বিভিন্ন পরিচয়ে দিয়ে পতীতা পল্লীর ভিতরে ঘুরে ঘুরে অসহায় যুব যুবতী’র কাছ থেকে চাঁদা তুলে! পুলিশের ভয়ও দেখায়! আসলে ওরা কারা?

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, লাভলীর পেছনে একটি সুসংগঠিত মাদক ও মানব পাচার চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা, সমাজকর্মী ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন,
“শিশুদের জীবন নিয়ে এমন পৈশাচিক ব্যবসা আর মেনে নেওয়া যায় না। যারা এর সঙ্গে জড়িত—তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দাবি উঠেছে, ভিডিওটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 thecrimesearch.com