ঢাকা–১৬ আসনের সাধারণ মানুষ আজ হাঁপিয়ে উঠেছে দখল–চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ীদের তাণ্ডবে। ফুটপাত, সড়ক, পরিবহন থেকে শুরু করে গার্মেন্টস ও বাজার—সবখানেই চলছে দখলবাজদের রাজত্ব। এই দুঃশাসনের অবসান চায় এলাকাবাসী। আর প্রবাসীদের প্রত্যাশা—ড. নয়ন বাঙালি দেশে ফিরলেই শেষ হবে এ দৌরাত্ম্য।
রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, প্রখ্যাত আইনজীবী এবং বিএনপি পরিবারে বেড়ে ওঠা তরুণ নেতা ড. নয়ন বাঙালি বর্তমানে প্রবাসে থেকেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে তিনি শুধু একজন সংগঠক নন, নতুন প্রজন্মের কাছেও রাজনীতির আইকন। মিরপুরের মাটিতে বেড়ে ওঠা এই নেতা নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন— “আমার রাজনীতিতে অপরাধীর জায়গা নেই, আমি চাই জনগণের ভোট।”
ওয়াশিংটন ডিসি ও ভার্জিনিয়ায় আয়োজিত আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, নয়ন বাঙালি দেশে ফিরেই ঢাকা–১৬ আসনের রাজনীতির হাল ধরবেন। তাঁর প্রথম অঙ্গীকার হবে অপরাধী শক্তির দমন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন— “ব্যানার–ফেস্টুনে অপরাধ ঢেকে রাখা চলবে না, এলাকায় কোনো চাঁদাবাজ বা মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই।”
নয়ন বাঙালির মায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক সততা নিয়েও প্রবাসীরা প্রশংসা করেন। তাদের ভাষায়, তাঁর মা কখনো আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেননি। অথচ সাবেক কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন ক্ষমতার লোভে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করে বিএনপির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
‘রাজনীতির স্কুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. নয়ন বাঙালি আরও বলেন, “আমার মিছিলে যদি ১০ জনও থাকে, তবে তারা হোক এলাকার ভোটার। লোক দেখানোর ভিড়, ভাড়া করা সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজদের নিয়ে রাজনীতি নয়।”
প্রবাসী সমাজের স্লোগান এখন একটাই— “ঢাকা–১৬ দখল–চাঁদাবাজমুক্ত হোক, নয়ন বাঙালিই হোক এলাকার অভিভাবক।”
Leave a Reply