ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ যেন পরিণত হয়েছিল এক ভালোবাসার উৎসবে। শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যুক্ত করুন) ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপচে পড়া ভিড়, উচ্ছ্বসিত স্লোগান আর হৃদয়ছোঁয়া সংবর্ধনা যেন প্রমাণ করে দিল—ঈশ্বরগঞ্জবাসী তার পাশে আছে, ভালোবাসে এবং বিশ্বাস করে তাকে।
স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় বিএনপি নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ এবং তরুণ-তরুণীতে। চারপাশে ধানের শীষের প্রতীক, ব্যানার, ফেস্টুন ও জয়ধ্বনি—“বাবু ভাই এগিয়ে চলো, ঈশ্বরগঞ্জ তোমার সাথে”—সেদিন যেন হয়ে উঠেছিল গণমানুষের স্লোগান।
মঞ্চে উপস্থিত হতেই ফুলেল শুভেচ্ছা, মাল্যদান ও আবেগমাখা অভ্যর্থনায় কিছুটা অপ্রস্তুত হলেও আবেগ সামলাতে পারেননি বাবু। আবেগাক্রান্ত কণ্ঠে বলেন,
“এই ভালোবাসাই আমার রাজনীতির শক্তি ও প্রেরণা। আমার স্বপ্ন ঈশ্বরগঞ্জের উন্নয়ন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা। আপনারা পাশে থাকলে কোনো অন্যায়-অবিচারের কাছে মাথা নত করবো না।
অনুষ্ঠানে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ একবাক্যে জানিয়েছেন, বিএনপির হয়ে ১৫৩ ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বাবু ভাই-ই সবচেয়ে উপযুক্ত প্রার্থী।
স্থানীয় কলেজছাত্র রাসেল মিয়া বলেন,
“আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই, যিনি আমাদের কথা বলবেন জাতীয় সংসদে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন। বাবু ভাইকে দেখে মনে হয়, উনিই আমাদের সেই প্রতিনিধি।
একইভাবে স্থানীয় এক কৃষক আলী হোসেন বলেন,
“আমরা রাজনীতির মানুষ না। কিন্তু বাবু ভাই যেভাবে মানুষের সাথে মিশে যান, দুঃখ-দুর্দশায় পাশে থাকেন—তাতে মনে হয় উনিই আমাদের আশার আলো।
লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। কঠিন সময়েও দল ছাড়েননি, বরং নির্যাতন, মামলার শিকার হয়েও নেতৃত্ব দিয়েছেন দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে। তার সৎ ও সাহসী রাজনীতির জন্য দলীয় হাইকমান্ডের কাছে তিনি ইতিমধ্যেই গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বস্ত একজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
Leave a Reply